জীবননগরে ধানের শীষের প্রার্থী বাবু খানের নির্বাচনী মিছিল জন সমুদ্রে পরিণত।

 






নিজস্ব প্রতিবেদক। 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী বিজিএমইএ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবুর নেতৃত্বে বিএনপির গণমিছিলে জনতার ঢল নেমেছিল রাজপথে।  রোববার বিকেলে এক কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত গণমিছিল পরিণত হয় জনসুমদ্রে।  মিছিল চলাকালে স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

এর আগ বিকেল গড়াতেই জীবননগর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো লোকে লোকারণ্যে পরিণত হয়।  ব্যানার, ফেস্টুন আর হাতে হাতে দলীয় প্রতীক নিয়ে নানা বয়সী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিছিলে অংশ নেন। মিছিলটি জীবননগর মুক্তমঞ্চ থেকে শুরু হয়ে জীবননগর স্টেডিয়ামে যেয়ে সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু।  তিনি বলেন, আমাদের সুশৃঙ্খল হতে হবে।  আইন মেনে চলতে হবে।  আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলে দলে যেয়ে ভোট দিতে হবে।  আমার ভোটটা আমি দেব।  অন্যরা যাতে সুশৃঙ্খলভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারে আমরা সে বিষয়ে সহযোগিতা করব।  

বিএনপির এই প্রার্থী আরও বলেন, এখন কেউ কেউ পরোক্ষভাবে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করে অমুক দলের লোক, অমুক ধর্মের লোক ভোট কেন্দ্রে গেলে দেখে নেব।  আমাদের দায়িত্ব হবে এই নির্বাচনটা যেন উৎসবমুখর হয়। পরোক্ষ না প্রত্যক্ষ হুমকি যদি কেউ দেয় আমাদের দায়িত্ব হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো। 


বাবু খান আরও বলেন, ভোট দেওয়ার পরে.. আপনি আপনার ভোট দেওয়ার পরে, আপনার পরিবারে ভোট দেওয়ার পরে আমরা কেন্দ্রের পাশে আমাদের যে ক্যাম্প আছে সেখানে আমরা অবস্থান করব। অবস্থান মানে কোনো ধরনের হাঙ্গামা, মারামারি এ জন্য না।  অবস্থান করা মানে নির্বাচনটাকে আরও বেশি উৎসবমুখর করা। ‍


বাবু খান বলেন, আমাদের প্রধান প্রতিপক্ষ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ নাম করে বলে দিলাম।  তারা আমাদের শত্রু  না।  তারা যে কথাটা নির্বাচনী প্রচারণায় বলে বেড়ান..আমাদের নারী ভোটাররা সব ভোট ওনাদের দিয়ে দিয়েছে। এটা ভুয়া। ভুয়া কথা। যদি নারীদের প্রতি তাদের সম্পান থাকত, নারীর ক্ষমতায়নে যদি বিশ্বাস করতেন তাহলে অন্তত ৩০০ আসনের মধ্যে একজন নারীকে নমিনেশন দিতেন। দেয় নাই। 

এসময় বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিক মাহমুদ মিল্টন, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আক্তারুজ্জামান, জীবননগর পৌরসভার সাবেক মেয়র আরশাফুল ইসলাম, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি খোকন খান, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবীর।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জীবননগর পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিউদ্দীন শফি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহতাব উদ্দীন চুন্নু, সহসভাপিত তাজুল ইসলাম, জীবননগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দীন উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কমীরা।

Post a Comment

Previous Post Next Post